জেলা জুড়ে চলছে ইউপি নির্বাচনের নিরব প্রচার

ডেস্ক রিপোর্ট, 2 এপ্রিল ২০১১:  ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে জেলা জুড়ে শুরু হয়েছে আগাম প্রার্থীদের নিরব প্রচার। শে পর্যন্ত প্রার্থী হবেন না এমন অনেক প্রার্থীই এখন জোরেশোরে মাঠে। নির্বাচন নিয়ে জেলার অনেক ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ- বিএনপির মধ্যে কোন্দল আরও বাড়িয়ে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
একজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয় ৫লাখ টাকার উপরে হবে না এবং তাও ব্যয় করতে নির্দিষ্ট ব্যাংকের একটি হিসাব থেকে নির্বাচন কমিশনের এমন নির্দেশনা রয়েছে।
কিন্তু থেমে নেই চেয়ারম্যান- মেম্বর প্রার্থীদের ব্যয়। অনেক আগাম প্রার্থী এরইমধ্যে অনেক বেশিই খরচ করে ফেলেছেন বলে অসমর্থিত সূত্র দাবি করেছে।
আবার অনেক সম্ভাব্য প্রার্থী তার বন্ধু-বান্ধব, সুহ্রদ- আত্বীয় স্বজনের কাছে নির্বাচনে আর্থিকভাবে সহায়তা চাওয়ার কথা বলে রাখছেন।
গত ১৮ ও ১৯ মার্চ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার পাঙ্গাশী ইউনিয়নের রামেশ্বরগাতী গ্রামে রাত ৯টার দিকে পৃথক পৃথক সময় ২/৩জন মেম্বর প্রার্থীর সমর্থকদের মিছিল করতে দেখা গেছে। এবারই নতুন প্রাথী তারাই বেশি জনসংযোগ করছেন।

জেলার শাহজাদপুর উপজেলার একটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান এমন একজন জানালেন, ৫লাখ টাকা দিয়ে কি হবে? দলীয় প্রার্থী যারা হতে চান তাদের ম্যানেজ করতেই তো চলে যাবে অনেক টাকা। কাউকে তো এমনি বসে যাও বললেই বসবে না। আমি নিজে ওই টাকার মধ্যেই খরচ রাখবো।

স্বচ্ছ নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশনের এ ব্যয় সীমা কার্যকর করা গেলে ভালোই হতো।

শাহজাদপুর উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মো: আব্দুল জব্বার বলেন, দীর্ঘ ৮ বছর একেবারে সাধারণ মানুষের সাথে কাজ করে আসছি। যতোটা পেরেছি স্বচ্ছতার সঙ্গেই কাজ করেছি। দলীয় ও ইউনিয়নবাসীর আগ্রহেই আবারও প্রার্থী হবো।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.