All posts by sirajjweb

সিরাজগঞ্জে বাল্যবিয়ে দেয়ার চেষ্টায় ২ বাবার জেল

Ballo-Beaবাল্যবিয়ে দেয়ার চেষ্টার অভিযোগে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ভ্রাম্যমাণ আদালত বর-কনের বাবাকে ৭ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করেছেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, কনের বাবা তাড়াশ উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক আছাফ উদ্দিন কিরন ও বরের বাবা একই উপজেলার বিলাসপুর গ্রামের সোহরাব হোসেন।

স্থানীয়রা জানান, তাড়াশ হাসপাতাল এলাকার বাসিন্দা আছাফ উদ্দিন কিরনের সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যরনরত মেয়ে মিমের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী বিলাসপুর গ্রামের সোহরাব হোসেনের ছেলে আকবর প্রামাণিক আপনের সঙ্গে রোববার বিয়ের দিন ধার্য্য ছিল। এজন্য সকল আয়োজন সম্পন্ন করে উভয় পরিবার। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিল­ুর রহমান সেখানে উপস্থিত হয়ে কনের বয়স বিবাহযোগ্য নয় এমন অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে বর ও কনের বাবাকে ৭ দিনের কারদণ্ড দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিল­ুর রহমান জানান, মেয়ের বাবা ও মা দু’জনেই শিক্ষিত। তারা এমন ভুল কেন করলেন সেটা আমার বোধগম্য নয়। মেয়ের মা মাহফুজা বেগম সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন।

রেসিডেন্সিয়াল কলেজের পুনর্মিলনীতে ফুডপান্ডা

Foodpandaরাজধানীর অন্যতম পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি কলেজ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত পুনর্মিলনীতে সাবেক ও বর্তমানদের মেলবন্ধনে দারুণ ভাবে জমে উঠেছিল। পুনর্মিলনীতে মজার মজার আর ঐতিহ্যবাহী সব খাবার পরিবেশন ও সরবরাহের ব্যবস্থা করে অনলাইনভিত্তিক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ফুডপান্ডা। এর অংশ হিসেবে পুনর্মিলনীতে ফুডপান্ডার ব্যবস্থাপনায় স্টল স্থাপন করে নান্না বিরিয়ানী, লাইভ কিচেন, ধাবা, কজমো, কুকার্স কিচেন, হট ব্রেড, হামজা বারবিকিউ, লালবাগ তেহেরিসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।

ফুডপান্ডা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্রিন রেজা বলেন, ‘গত বছরের নভেম্বর থেকে ফুডপান্ডা ঢাকায় সেবা দিচ্ছে । ওয়েবসাইট ছাড়াও মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে আগ্রহীরা খাবারের অর্ডার দিচ্ছেন এবং সঠিক সময়ে বুঝে পাচ্ছেন।’

ফুডপান্ডা নিয়ে বিস্তারিত জানা যাবে www.foodpanda.com.bd সাইটে। সেখানে রয়েছে বিস্তারিত সব তথ্য। সঙ্গে অর্ডার দেওয়ার সব নিয়মকানুন।

সিরাজগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে অপহৃত যুবক উদ্ধার: ইয়াবাসহ আটক ৩

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট:

সিরাজগঞ্জে র‌্যাব-১২ এর পৃথক অভিযানে এক অপহৃত যুবককে উদ্ধার, অপহরণকারী আটক এবং ১শ’ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ২ ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত অপহৃত যুবকের রনাম মজনু মিয়া (৩০)। সে রাজশাহী জেলার মতিয়ার উপজেলার টাংগন গ্রামের মনসুর আলীর  ছেলে।  গ্রেফতারকৃত অপহরণকারী মোহাম্মাদ শামীম (৪০) সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার দত্তবাড়ি গ্রামের আশরাফ আলীর ছেলে।
অপরদিকে আটককৃত ইয়াবা ব্যবসায়ী সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার চর সারটিয়া গ্রামের মৃত গোলাম নবীর ছেলে জিলহাজ হোসেন বাবু (৩৫) ও  বেলকুচি উপজেলার মাসাইল গ্রামের শামসুল আলমের ছেলে নুরনবী (২২)।

র‌্যাব-১২ ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার মোস্তাাফিজুর রহমান জানান, অপহৃত মজনু গাজীপুর জেলার চৌরাস্তা টেলিপাড়ায় পরিবার নিয়ে বসবাস করে। সেখানে তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। একটি মাদক মামলায় মজনু ফেনসিডিলসহ ধরা পড়ে সিরাজগঞ্জ জেলা কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় শামীমের সাথে তার পরিচয় হয়। জেল থেকে বের হবার পর গত মঙ্গলবার শামীম মোবাইলে মজনুকে চাকরি  দেওয়ার কথা বলে ডেকে আনে। মজনু গত বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় সিরাজগঞ্জ শহরের মাদারবক্স হোটেলের ২০৪ নং কক্ষে অবস্থান নেয়।
শুক্রবার সকালে শামীম এবং আলীম এসে মজনুর কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে মজনুকে হত্যার হুমকি দেয়। তারা মজনুকে রুমের মধ্যে আটকে রাখে। এ সময় মজনু  মোবাইল ফোনে স্ত্রী সাগরীর কাছে বিষয়টি জানালে দুপুরে  সে র‌্যাবকে বিষয়টি জানায়।
পরে র‌্যাবের সিরাজগঞ্জ ক্যাম্পের একটি দল তার নেতৃত্বে ওই হোটেলে অভিযান চালিয়ে অপহৃত যুবককে উদ্ধার ও  ওই অপহরণকারীকে আটক করে। অপর অপহরণকারী চককোবদাসপাড়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে আব্দুল আলীম (৩৫) পলাতক রয়েছে।

অপরদিকে র‌্যাব-১২’র একটি দল সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার চর সারটিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে ১শ’ ইয়াবাসহ ২ ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আটক করে। উভয় ঘটনায় সিরাজগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ বার্তা@ ১৫ অক্টোবর’ ২০১১

রায়গঞ্জের সাংবাদিক আবু সাঈদ আর নেই

 

সিরাজগঞ্জের প্রথিতযশা সাংবাদিক, রায়গঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সাইদ সরকার আর নেই। শনিবার(৩ সেপ্টেম্বর‘ ২০১১) ভোরে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া বাজার সংলগ্ন তার নিজস্ব বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহে…… রাজেউন)। তার বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর। আবু সাইদ সরকারের আকস্মিক মৃত্যু সংবাদে সিরাজগঞ্জ জেলার সকল সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। ৩০ বছরের অধিক সময় ধরে নিরলস শ্রম ও মেধা দিয়ে তিনি সাংবাদিকতা করে যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেন। মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি দৈনিক করতোয়ায় রায়গঞ্জ প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
তার মৃত্যু সংবাদে জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলা এবং বগুড়া থেকে দৈনিক করতোয়ার বার্তা সম্পাদক প্রদীপ ভট্টাচার্য শংকর, উফেসাপ এর সভাপতি তৌহিদুর রহমান মানিক এর নেতৃত্বে সাংবাদিক প্রতিনিধি দল, সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় সংসদ সদস্য ইসহাক হোসেন তালুকদারসহ সর্বস্তরের মানুষ তার বাড়িতে ছুটে আসেন। দুপুর ১২টায় তার লাশ রায়গঞ্জ প্রেসক্লাবে আনা হলে সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের মানুষ এসময় শ্রদ্ধা জানায়। সেখানে তাৎক্ষণিক আয়োজন করা হয় শোকসভার অনুষ্ঠিত হয়। এতে সিরাজগঞ্জ, রায়গঞ্জ, উল্লাপাড়া, শাহজাদপুরসহ বিভিন্ন  প্রেসক্লাবের কর্মকতারা বক্তব্য রাখেন।
বেলা সোয়া ১টায় ধানগড়া স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয় তার নামাজে জানাজা। পরে উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়।

এদিকে সাংবাদিক আবু সাইদ সরকারের অকাল মৃত্যুতে দৈনিক করতোয়ার সম্পাদক মোজাম্মেল হক গভীর শোক প্রকাশ করে তার আত্মার শান্তি কামনা ও  শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। শোক প্রকাশ করেছেন অনলাইন বার্তা সংস্থা বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কমের নিউজরুম এডিটর নূরনবী সিদ্দিকসহ দৈনিক করতোয়ার সকল সাংবাদিক, কমকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
এছাড়া আরও শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন ধুনট প্রেস ক্লাবের সভাপতি রফিকুল আলম, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, সহ সভাপতি আতিকুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক আমিনুল ইসলাম শ্রাবণ, দফতর সম্পাদক বাবুল ইসলাম, সাংবাদিক ইমরান হোসেন ইমন,
শাহজাদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মির্জা আব্দুল বাকী, সাধারণ সম্পাদক শফিকুজ্জামান শফি, কবীর, আজমল, বিপুল, বিমল কুন্ডু, আতাউর রহমান পিন্টু, আসলাম আলী, মুমীদুজ্জামান জাহান, আব্দুল হাকিম শিমূল, শফিউল হাসান চৌধুরী, আবুল বাশার, দৈনিক করতোয়ার সাংবাদিক সাগর বসাক, ফেরদৌস হাসান নাছিম প্রমুখ।

সিরাজগঞ্জ বার্তা @০৪ সেপ্টেম্বর’ ২০১১

সিরাজগঞ্জে গণপূর্ত কার্যালয় ভাঙচুর ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা আটক

 

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জ জেলার গণপূর্ত বিভাগে অবৈধভাবে টেন্ডারের সুযোগ না  দেওয়ায় নির্বাহী প্রকৌশলীর কক্ষ ভাঙচুর করার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ এ ঘটনায় সিরাজগঞ্জ শহর ছাত্রলীগের আহবায়ক সাইদুল ইসলাম বাবু ওরফে এল বাবুকে আটক করেছে।
গত বুধবার(১৪ সেপ্টেম্বর’ ২০১১) দুপুর পৌনে ১২টায় এ ঘটনা ঘটে। এব্যাপারে দ্রুতবিচার আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
থানা পুলিশ ও মামলার আরজি থেকে জানা গেছে, বুধবার দুপুর পৌনে বারোটার দিকে গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের কক্ষে শহর ছাত্রলীগের আহবায়ক সাইদুল ইসলাম বাবু ও তার সহযোগী রাসেদুল হাসান প্রবেশ করে। প্রবেশ করেই তারা নির্বাহী প্রকৌশীকে হুমকি প্রদর্শন করে বলে গতকাল টেন্ডার হয়েছে, আমাদের জানানো হয়নি কেন?
নির্বাহী প্রকৌশলী কোন টেন্ডার হয়নি এবং কোনদিন তারিখও ছিল না বলে উল্লেখ করলে তারা প্রকৌশলীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে মারধর করার জন্য উদ্যত হয়। এক পর্যায়ে টেবিলের ওপরের গ্লাস ভাঙচুর করে। শব্দ ও হৈচৈ শুনে অফিসের অনান্য কর্মচারীরা পাশের কক্ষ থেকে নির্বাহী প্রকৌশলীর কক্ষের মধ্যে প্রবেশ করলে তারা অশ্লীল গালিগালাজ করতে করতে স্থান ত্যাগ করে চলে যায়।
পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ সাইদুলকে দিয়ারধানগড়া মহল্লা থেকে আটক করে। এসময় রাসেদুল পালিয়ে যায়।

এবিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ নূর ইসলাম জানান, দু’জন অন্যায়ভাবে কক্ষে প্রবেশ করে আমাকে মিথ্যা অজুহাতে হুমকি প্রদর্শন করে টেবিলের গ্লাস ভাঙচুর করে। আমার অফিসের লোকজন এগিয়ে এলে তারা চলে যায়।

এবিষয়ে সদর থানার উপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল মালেক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, খবর পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক একজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় নির্বাহী প্রকৌশলী বাদী হয়ে দ্রুতবিচার আইনে সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

সিরাজগঞ্জ বার্তা @১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১১

সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধে ভাঙন: তদন্ত কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধের হার্ড পয়েন্ট ভাঙ্গনে গঠিত তদন্ত কমিটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়েছে। রোববার(২১/০৮/২০১১) পানিসম্পদ মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেনের সভাপতিত্বে সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধের ভাঙনের কারণ এবং এর সমাধানে গঠিত তদন্ত কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন মাল্টিমিডিয়া প্রেজেনটেশন সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় তদন্ত কমিটির প্রধান আইডব্লিউএম এর নির্বাহী পরিচালক ড. মনোয়ার হোসেন উত্থাপিত প্রতিবেদনে ভাঙনের কারণ তুলে ধরে সুপারিশ করা হয়।
ভাঙ্গনের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, নদীর গতিপথ পরিবর্তন এবং অস্বাভাবিকভাবে হঠাৎ করে মাটির নিচে ঘূর্র্ণাবর্ত তৈরি হয়ে বড় ধরনের গর্তের সৃষ্টি হয়। প্রতিবেদনে দীর্ঘ ও স্বল্পমেয়াদি এবং স্থায়ী সুপারিশ করা হয়েছে। সুপারিশগুলো হলো, হার্ড পয়েন্টের উজানের অংশে প্রবাহের গতিপথ পরিবর্তনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং শুষ্ক মৌসুমে বাঁধ শক্তিশালী করার কাজ করা। চলতি বর্ষা মৌসুমে বাঁধ ভাঙ্গনরোধে স্বল্পমেয়াদি সুপারিশে বলা হয়েছে, মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ব্যবহার, নিয়মিত ব্যাথমেট্রিক সার্ভে পরিচালনা, হার্ডপয়েন্টের অপর পাড়ে ডুবোচরটি ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে পানির চাপ কমানো এবং হার্ড পয়েন্টের উপরের রাস্তা দিয়ে ভারি যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ করতে হবে।
পানিসম্পদ মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন বলেন, যমুনা হলো পৃথিবীর আনপ্রেডিক্টেবল নদীগুলোর অন্যতম। এ নদী শাসনের জন্য ক্যাপিটেল ড্রেজিংয়ের কোনো বিকল্প নেই। তাই ক্যাপিটেল ড্রেজিং এর মাধ্যমে হার্ড পয়েন্ট অঞ্চলকে ভরাট করে সিরাজগঞ্জ শহরকে রক্ষা করা হবে। একই সাথে যমুনা নদী থেকে বিশাল পরিমাণ ভূমি উদ্ধার করা সম্ভব হবে।
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুর রহমান তালুকদার এমপি, সচিব শেখ মো. ওয়াহিদ উজ জামান, বিশ্ব ব্যাংক ঢাকার প্রতিনিধি এস এ এম রফিকুজ্জামান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালকসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধের হার্ড পয়েন্টের বিএল স্কুল সংলগ্ন স্থানে গত ১৮ জুলাই মধ্যরাতে ১৫০ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ৫০ ফুট প্রশস্থ এলাকা আকস্মিকভাবে ভেঙ্গে যাওয়ার ঘটনায় পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে কমিটিকে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। কমিটিকে বর্তমান ভাঙনের কারণ এবং স্থায়ী সমাধান সম্পর্কে সুপারিশ করতে বলা হয়েছিল। 

কমিটির অপর চার সদস্য হলেন- পানি উন্নয়ন বোর্ড (পশ্চিম অঞ্চল) অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো: আজিজুল হক, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সৈয়দ আবদুল মমিন, সিইজিআইএস’র উপ-নির্বাহী পরিচালক ড. মমিনুল হক সরকার এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডিজাইন সার্কেল-৬ এর নির্বাহী প্রকৌশলি মো: মোতাহার হোসেন।

 উল্লেখ্য, দেশের মৃত প্রায় নদ-নদীগুলিকে প্রবাহমান করার লক্ষ্যে নদী খননের মহা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বর্তমান সরকার। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহমান নদীগুলির মধ্যে অন্যতম নদী যমুনা নদী। এই যমুনা নদীকে প্রবাহমান রাখার লক্ষ্যে এবং কৃষি উৎপাদন, পরিবেশ রক্ষা, সেচ সম্প্রসারণ ও খরা মোকাবিলাসহ নদী পাড়ের মানুষের জীবনধারা স্বাভাবিক রাখতে নদীর তলদেশে উচু চর খনন, নদী ভাংগন প্রতিহত ও হ্রাস করা এবং ক্ষীণধারা চ্যানেল বন্ধ করার নিমিত্তে বাঁধ নির্মাণ, বাঁধ সংস্কারসহ প্রায় ১হাজার ২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে সিরাজগঞ্জ হার্ড পয়েন্ট হতে বঙ্গবন্ধু ব্রিজের ভাটিতে ধলেশ্বরী নদীর অফটেক পর্যন্ত ২০ কি: মি: এবং নলীন বাজারের সন্নিকটবর্তী ২ কি: মি: দৈর্ঘ্যসহ ২২ কি: মি: দৈর্ঘ্যে  ক্যাপিটেল ড্রেজিং কাজ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় প্রাথমিক পর্যায়ে নলিন বাজারে ২ কি: মি: দৈর্ঘ্যে যমুনা নদীতে ৩৯ কোটি টাকা চুক্তি মূল্যে এরইমধ্যে ড্রেজিং কাজ শুরু হয়েছে। সিরাজগঞ্জ হার্ড পয়েন্ট হতে বঙ্গবন্ধু ব্রিজের ভাটিতে ধলেশ্বরী নদীর অফটেক পর্যন্ত ২০ কি: মি: নদী খননের জন্য এরমধ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে এবং বিভিন্ন দেশের বড় বড় ড্রেজিং কোম্পানি এতে অংশগ্রহণ করেছে। অতি শিগগিরই মূল্যায়ন কমিটির মাধ্যমে সর্বনিম্ন দরদাতাকে কার্যাদেশ প্রদান করা হবে এবং বর্ষার পরে কাজ শুরু করা হবে।

@২২ আগস্ট, ২০১১

ইউপি নির্বাচনে সমভোট: রায়গঞ্জের দুই কেন্দ্রে নির্বাচন অনুষ্ঠিত

রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় সমভোটের নির্বাচন গত ২৮ জুলাই দুই কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে পাঙ্গাসী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার হিসাবে মহালম নির্বাচিত হয়েছেন। অপরদিকে ব্রহ্মগাছা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে তারিকুল ইসলাম মেম্বার হিসাবে জয়লাভ করেন।

উল্লেখ্য, গত ২৮মে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এ দুটি ইউনিয়নের বৈকুণ্ঠপুর ও  গোদগাঁতী  ভোটকেন্দ্রে ৪ জন  মেম্বার প্রার্থী সমান সমান ভোট পায়। সেই ৪ প্রার্থীর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে এ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। ব্রক্ষগাছা ইউনিয়নের ওই ওয়ার্ডের ভোটার ছিলেন ১হাজার ৪১৯ জন এবং পাঙ্গাশী ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে ভোটার ছিলেন ৩হাজার ৫‘শ ৮জন।

প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় আভিসিনা ক্লিনিকে ভাংচুর, চিকিৎসকসহ গ্রেপ্তার ২

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিরাজগঞ্জ শহরের বেসরকারি আভিসিনা হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্সদের অবহেলায় এক প্রসূতি মায়ের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় রোগীর বিক্ষুব্ধ স্বজনসহ এলাকাবাসী  শনিবার সকালে ওই হাসপাতাল ভাংচুর করে।

পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হাসপাতালের এনেসথেসিস্ট ও ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. আবু মোহাম্মদ শহিদুল্লাহসহ ৬ জনকে আটক করে। পরে ২ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে বাকি ৪ জনকে মুচলেকায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার শিকার সোমা রানী সাহা (৩২) শহরের এসএস রোড সংলগ্ন কয়লা পট্টি মহল্লার ব্যবসায়ী চন্দন সাহার স্ত্রী।

রোগীর স্বজন ও এলাকাবাসী জানান, গর্ভবতী সোমা রানী সাহার প্রসব ব্যথা উঠলে চিকিৎসক শামীমা আজিজের পরামর্শে শুক্রবার রাতে শহরের আভিসিনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গভীর রাতে রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক শামীমা আজিজ নির্ধারিত সময়ে আসেননি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে হাসপাতালের নার্স, সুইপার ও আয়ারা মিলে বাচ্চা প্রসব করায়। এসময় প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। এতে বাচ্চা সুস্থ থাকলেও তার মা ভোর ৫টার দিকে মারা যান।
এসময় মৃত সোমা রানীকে নিয়ে চিকিৎসার নাটক করা হলে তার স্বজনরা সবাইকে অবরুদ্ধ করে হাসপাতালে ভাংচুর চালায়। ডা. শামীমা ও ডা. মুরাদ পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাকীদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

পরে ওই হাসপাতালের গাইনি বিভাগের প্রধান ডা. শামীমা আজিজ তার বাসা থেকে আটক করা হয়।

নিহতের স্বামীর ভাই প্রদীপ কুমার বাদী হয়ে ডা. শামীমা আজিজ, নার্স তাজমিরা পরভীন এবং ওটি অ্যাসিস্ট্যান্ট কানিজ ফাতেমার নামে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেছেন।

পুলিশ আটকদের মধ্য থেকে ডা. শামীমা আজিজ এবং ওটি আাসিট্যান্ট কানিজ ফাতেমাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়ে দেয়।

এছাড়া ডেপুটি সিভিল সার্জন, ওয়ার্ড-বয় আকাশ, নার্স সুলতানা খাতুন ও তিন্নিকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এদিকে, ঘটনার পরপর ওই হাসপাতালের বাকি চিকিৎসক ও স্টাফরা গণধোলাইয়ের ভয়ে সটকে পড়েন। চিকিৎসক না থাকায় হাসপাতালে ভর্তিকৃত অন্যান্য রোগীরাও অন্যত্র চলে যান।

অপরদিকে, গাইনি চিকিৎসকসহ নার্সের জামিনের জন্য কোর্টে আবেদন করা হলেও বিকাল ৫টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কেউই জামিন পাননি জানা গেছে।

তবে ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. শহিদুল্লাহ ও ডা. শামীমা আজিজ সাংবাদিকদের কাছে আকস্মিক জরায়ু ফেটে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে রোগী মারা গেলেও চিকিৎসকদের কোনও গাফলাতি ছিল না বলে দাবি করেছেন।

সদর থানার ওসি সৈয়দ সহিদ আলম বলেন, ‘চিকিৎসক ও নার্সদের গাফলাতিতে রোগী মৃত্যুর অভিযোগ ওঠায় পুলিশ ৬জনকে আটক করা হলেও পরে মামলার ভিত্তিতে ২জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ না থাকায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও তিনি জানান।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. নিজাম উদ্দিন খান বলেন, গাফলাতির বিষয় প্রমাণিত হলে বা দায়িত্ব-কর্তব্যে অবহেলা করলে অবশ্যই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 
মঙ্গলবার, জুলাই ৩০, ২০১১

শাহজাদপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকির দায়ে ১ জনের ৯ মাসের কারাদ-

 উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, শাহজাদপুর থেকে: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হাসিবুর রহমান স্বপনকে মুঠোফোনে হত্যার হুমকির দায়ে হাফেজ মোহাম্মদ-উল্লা বাবু (২৪) নামের ১ জনকে ৯ মাসের কারাদ- দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার(১৭জুন’২০১১) উপজেলার ভ্রাম্যমাণ আদালত এ দ- দেন। বাবু একই উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের তালগাছি গ্রামের মওলানা খোরশেদ আলমের পুত্র।

জানা যায়, সাবেক শিল্প উপমন্ত্রী, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও চেয়ারম্যান হাসিবুর রহমান স্বপনকে মুঠোফোনে গত ১মাস ধরে নামে- বেনামে হত্যার হুমকি ও নানা কৌশলে বাবু টাকা দাবি করে আসছিল। এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে থানার অফিসার ইনচাজ(ওসির্) মতিয়ার রহমান কৌশলে হুমকিদাতা বাবুর মুঠোফোনে যোগাযোগ করে বাবুকে উপহার দেওয়ার কথা বলে শুক্রবার উপজেলার রবীন্দ্র কাচারিবাড়িতে আসতে বলেন।

বাবু কাচারিবাড়ি এলে শাহজাদপুর থানার উপ পরিদর্শক রাকিব মুঠোফোনসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। এসময় বাবুর কাছ  থেকে বেশ কিছু নগ্নসিডি উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট, সহকারী কমিশনার (ভূমি)  সেলিম আহমদের আদালতে নেওয়া হলে আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তাকে ৯ মাসের বিনাশ্রম কারাদ- দেন। পরে তাকে সিরাজগঞ্জ  জেলা কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

এ সময় ভূক্তভোগী হাসিবুর রহমান স্বপন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) রাসেল সাবরিন ও ওসি মতিয়ার রহমান ভ্রাম্যমাণ আদালতের সামনে উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে বলে ওসি মতিয়ার রহমান জানিয়েছেন।

শাহজাদপুরে ইউপি নির্বাচনে বিএনপি ৮, আওয়ামী লীগের ২ প্রার্থী বিজয়ী

উপজেলা প্রতিনিধি, শাহজাদপুর: বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া গত বুধবার(১৫জুন ২০১১) সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে।
নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ৮টিতে এবং আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ২টিতে বিজয়ী হয়েছেন। বিজয়ীরা হলেন- গাড়াদহ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাইফুল ইসলাম (গরুর গাড়ি) ৮হাজার ২৩১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম বিএনপি সমর্থিত আব্দুল জব্বার (আনারস) পেয়েছেন ৩২৫৩ ভোট।

কায়েমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জিয়াউল হক ঝনু (দেয়ালঘড়ি) ১৪ হাজার ১৭৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী আওয়ামী লীগ সমর্থিত হাসেনুল হক হাসানের (কাপপিরিচ) প্রাপ্ত ভোট ৪ হাজার ৯৭৪ ভোট।
পোতাজিয়া ইউনিয়নে বিএনপি সমর্থিত রফিকুল ইসলাম তালুকদার চুন্নু (মাইক) ৭ হাজার ৬৭১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম আওয়ামী লীগ সমর্থিত মোহাম্মদ আলী (গরুর গাড়ি) পেয়েছেন ৬ হাজার ৪৩ ভোট।

রূপবাটি ইউনিয়নে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আব্দুল লতিফ ( দেয়াল ঘড়ি) ৬ হাজার ১শ’ ৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম আওয়ামী লীগ সমর্থিত হাবিবুর রহমান (আনারস) পেয়েছেন ৪ হাজার ৭শ’ ৯৯ ভোট।
নরিনা ইউনিয়নে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী সাইফুল ইসলাম টেক্কা (তালা) ৩ হাজার ৭২৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম আওয়ামী লীগ সমর্থিত ফজলুল হক (মাইক) পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৪০ ভোট।
বেলতৈল ইউনিয়নে বিএনপি সমর্থিত আব্দুস সালাম (আনারস) ১১ হাজার ৯০৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম আওয়ামী লীগ সমর্থিত ফেরদৌস হোসেন ফুল (গরুর গাড়ি) পেয়েছেন ৮ হাজার ৩শ’ ৫১ ভোট।
সোনাতনী ইউনিয়নে বিএনপি সমর্থিত নজরুল ইসলাম ফজলু (গরুর গাড়ি) ৬ হাজার ৩৩১ ভোট  পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম আওয়ামী লীগ সমর্থিত লুৎফর রহমান (আনারস) পেয়েছেন ৫ হাজার ৭৯৫ ভোট।

খুকনী ইউনিয়নে বিএনপি সমর্থিত মোঃ নজরুল ইসলাম (তালা) ১০ হাজার ৬০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাজাহান আলী (আনারস) পেয়েছেন ৭হাজার ৬১৫ ভোট।

গালা ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত জহুরুল ইসলাম (জাহাজ) ৪ হাজার ৫৬ ভোট পেয়ে। নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মান্নান (দোয়াত কলম) পেয়েছেন ৩ হাজার ৬২০।